শুক্রবার | ৬ই আগস্ট, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ২২শে শ্রাবণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

Banglakhoborbd.com সবসময় সঠিক খবর
সবসময় সঠিক খবর

সালথায় ২শত বিঘা জমির ফসল বাঁচাতে একটি পাইপ লাইন চায় কৃষকরা

৯:১২ পূর্বাহ্ণ | রবিবার, ২৮ জুন, ২০২০

সালথায় ২শত বিঘা জমির ফসল বাঁচাতে একটি পাইপ লাইন চায় কৃষকরা

এফ এম আজিজুর রহমান, সালথা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি:

ফরিদপুরের সালথা উপজেলা সোনাপুর ইউনিয়নের গোপালীয়া ও মিনাজদিয়া গ্রামের মাঝে মাঝদোয়াল মানক একটি ফসলি মাঠে। প্রায় ২শত বিঘা জমির ফসল পানি জমে নষ্ট হওয়া থেকে বাঁচাতে একটি পাইপ লাইনের আকুতি জানিয়েছেন ওই এলাকার শতাধিক কৃষকেরা।

শনিবার (২৭জুন)সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, মাঠ জুড়ে সবুজের সমাহার মাঠে পাটগাছ দোল খাচ্ছে বাতাসে পাটগাছ বড়ও হয়েছে। কিন্তু পাটের আঁশ পরিপাক্ক হওয়ার আগেই পানি জমে ডুবে গেছে। কোথাও কোথাও হাঁডু পানি থেকে কোমর পর্যন্ত পানি জমেছে। পাট পঁচে যাওয়ার ভয়ে ছোট ছোট অপরিপক্ক আঁশবিহীন পাটগাছ কেটে ফেলতে হচ্ছে কৃষকদের। এতে করে কৃষকরা লাভবান হওয়া তো দূরের কথা পূঁজি নিয়ে ঘরে ফিরতে পারবে না।

ওই গ্রামের এক কৃষক সিরাজ মোল্যা বলেন, আমার ওই মাঠে ১০ বিঘা জমি রয়েছে যখন আমরা পিঁয়াজ বপন করি মাঠে পিঁয়াজ পরিপাক্ক হওয়ার আগেই সামান্য বৃষ্টিতে পানি জমে পিঁয়াজ ক্ষেত তলিয়ে যায়। ফলে আমিসহ ওই মাঠে প্রায় ২শত বিঘা জমির মালিকরা ক্ষতিগ্রস্থ হয়। তিনি বলেন, এক বিঘা জমিতে ১শত থেকে দেড়শত মন পিঁয়াজ উৎপাদন হয়। কিন্তু পানি জমার কারনে সব পঁচে নষ্ট হয়।

আর এখন পাটের মৌসুম, অনেক নিচু জমি পাটবীজ বপন ও বীজ অঙ্কুর হওয়ার পরেই পানি জমে যায় ফলে তা আর গাছ হয় না। অনেক উঁচু জমিতেও পানি জমে পাট পঁচে যাওয়ার কারনে অর্ধেকের কম ফলন হবে। কথা হয় ওই এলাকার কৃষক আজিজুল মোল্যা, আব্দুল মাতুব্বর, ইসমাইল,মোকলেস, মজনু সর্দ্দার, হারেজ মোল্যাসহ আরও প্রায় অর্ধশতাধিক কৃষকের সাথে তাদের দাবি ওই মাঠ থেকে একটি পাইপ লাইন যদি চাঁন্দাখোলা খাঁল পর্যন্ত পৌছে দেওয়া যায়। তাহলে কোটি কোটি টাকার ফসল নষ্টের হাত থেকে বেঁচে যায়। কৃষকরা ও লাভবান হবে।

তারা বলেন, এক হাজার থেকে ১২শত ফিট পাইপ হলেই এই পাইপ লাইন সংযোগ দেওয়া সম্ভব। তারা কৃষি দপ্তরের মাধ্যমে সরকারের উর্ধতন কতৃপক্ষের কাছে এ দাবি জানিয়েছেন। সংস্লিষ্ট সোনাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান খায়রুজ্জামান বাবু বলেন, মাঝদোয়াল মাঠের জমির মালিকদের এই দাবিটা দীর্ঘদিনের আমি একাধিকবার ওই মাঠে গিয়েছি দেখেছি কৃষকেদের আকুতি।

যখন পানি জমে কৃষকদের আশার ফসল নষ্ট হয় তাদের দু:খ দেখে আমার কষ্ট হয়। এখানে আমার পরিষদের কোন বরাদ্দে প্রকল্প কভার করবে না। বিধায় উপজেলা ইউএনও মহোদয়কে বিষয়টি জানানো হয়েছে তিনি যদি এই ভুক্তভুগি কৃষকদের কোন ব্যবস্থা করেন। উপজেলা পাট উন্নয়ন কর্মকর্তা আব্দুল বারি বলেন, আমি তলিয়ে যাওয়া পাট পরিদর্শন করতে গিয়ে দেখেছি, কৃষকদের দাবির কথাও শুনেছি। আমি আমার সাধ্যমতো আমার উর্ধতন কতৃপক্ষকে জানাবো। এবং এখানে একটি পাইপ লাইনের জন্য সুপারিশ ও করবো।

 

Facebook Comments Box

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

এ বিভাগের আরও খবর

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০৩১  

বাংলাদেশে করোনা ভাইরাস

সর্বমোট

আক্রান্ত
১,৩২২,৬৫৪
সুস্থ
১,১৫৬,৯৪৩
মৃত্যু
২১,৯০২
সূত্র: আইইডিসিআর

সর্বশেষ

আক্রান্ত
১২,৭৪৪
সুস্থ
১৫,৭৮৬
মৃত্যু
২৬৪
স্পন্সর: একতা হোস্ট
মোঃ আবু সাঈদ,  সম্পাদক ও প্রকাশক    
হুমায়রা গুলফাম   উপদেষ্টা সম্পাদক    
কার্যালয় :

হেলাল-মুকুল কমপ্লেক্স (৪র্থ তলা), চকযাদু রোড, বগুড়া-৫৮০০। ফোনঃ +৮৮০১৩১৩৭১৮৫১০

ই-মেইল: banglakhobor.bd2020@gmail.com