শনিবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২২ ১৮ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৪ হিজরি
  1. শিক্ষাঙ্গন
  2. Privacy Policy
  3. Terms Of Use
  4. Contact Us
শিরোনাম:

ওয়ানডেতে বাংলাদেশের ১৫তম অধিনায়ক লিটন

বিএনপির বিভাগীয় সমাবেশ হচ্ছে, জনসমাগম নেই, মাঠ ফাঁকা : ওবায়দুল কাদের

মেসি খেলতে নামছেন হাজারতম ম্যাচ

দুর্ভিক্ষের আগে দুর্বৃত্ত সরকারকে বিদায় দিতে হবে : ভিপি নুর

আগামীকাল প্রধানমন্ত্রীর জনসভাকে ঘিরে উৎসবমুখর চট্টগ্রাম

চরমোনাই পীরের মিছিল, পুলিশের বাধা

Author
Arnold
১০ নভেম্বর ২০২২, ২:১৬ অপরাহ্ণ

Link Copied!

পাবলিক পরীক্ষায় ধর্মশিক্ষা আগের মতো বহাল, শিক্ষার সর্বস্তরে ধর্মশিক্ষা বাধ্যতামূলক করা, শিক্ষা সিলেবাস থেকে ইমান-আকিদা বিধ্বংসী অবৈজ্ঞানিক ডারউইনের বিবর্তনবাদ বাদ দেওয়াসহ বিভিন্ন দাবিতে শিক্ষামন্ত্রীকে স্মারকলিপি দিয়েছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ।

আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে সচিবালয়ে গিয়ে একটি প্রতিনিধি দল এই স্মারকলিপি দিয়েছে। এর আগে সকালে দলের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম পীরসাহেব চরমোনাইর নেতৃত্বে বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেট থেকে একটি মিছিল রওনা দিয়ে জিরোপয়েন্টে সচিবালয়ের গেটে পৌঁছালে পুলিশ বাধা দেয়। পরে চরমোনাই পীরের পক্ষে ৫ সদস্যের প্রতিনিধি দল স্মারকলিপি প্রদান করতে যায়।

প্রতিনিধি দলে ছিলেন প্রেসিডিয়াম সদস্য মাওলানা সৈয়দ মোসাদ্দেক বিল্লাহ আল মাদানী, অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান, যুগ্ম মহাসচিব প্রকৌশলী মুহাম্মদ আশরাফুল আলম, সহকারী মহাসচিব মাওলানা মুহাম্মদ ইমতিয়াজ আলম এবং সাংগঠনিক সম্পাদক কে এম আতিকুর রহমান।

স্মারকলিপিতে বলা হয়েছে, শিক্ষা জাতির মেরুদণ্ড, সভ্যতার মাপকাঠি। সুশিক্ষা ছাড়া কোনো জাতি সভ্যতার প্রতিযোগিতায় টিকতে পারে না। ঠকবাজির মাধ্যমে যেমন কোনো ব্যবসা টিকে না; তেমনি নীতি-নৈতিকতা ও ধর্মীয় মূল্যবোধ ছাড়া কোনো জাতি উন্নতির শিখরে উঠতে পারে না। বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক প্রবর্তিত জাতীয় শিক্ষানীতির প্রাক-কথনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মন্তব্য, এই শিক্ষানীতির উল্লেখযোগ্য দিক হলো এখানে ধর্ম, বিজ্ঞান ও কারিগরি শিক্ষাকে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে।   কিন্তু বাস্তবতা হলো, বর্তমান শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রণীত শিক্ষা কারিকুলাম ২০২১-এ ইসলাম ধর্ম শিক্ষা বাদ দিয়ে মূল্যবোধ ও নৈতিকতা নামে ইসলাম শিক্ষাকে এক প্রকার উপেক্ষা করা হয়েছে। এটা প্রধানমন্ত্রীর মন্তব্যের বিপরীত। অধিকন্তু ২০২২ সালের এসএসসি পরীক্ষায় ইসলাম ধর্ম শিক্ষা বিষয় বাদ দেওয়া হয়েছে। এ সিদ্ধান্ত এ দেশের ধর্মপ্রাণ জনগণের মনে ক্ষোভের জন্ম দিয়েছে।

আরও বলা হয়, শিক্ষানীতি-২০১০-এর উদ্দেশ্য ও লক্ষ্যে বলা হয়েছে, ‘প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের নিজ নিজ ধর্ম ও নৈতিকতা শিক্ষার মাধ্যমে উন্নত চরিত্র গঠনে সহায়তা করা।’ ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা অংশে ইসলাম ধর্ম শিক্ষা সম্পর্কে বলা হয়েছে, ‘শিক্ষার্থীদের মনে আল্লাহ, রাসুল (সা.) ও আখিরাতের প্রতি অটল ইমান ও বিশ্বাস যাতে গড়ে ওঠে এবং তাদের শিক্ষা যেন আচারসর্বস্ব না হয়ে তাদের মধ্যে ইসলামের মর্মবাণীর যথাযথ উপলব্ধি ঘটে, সেভাবে ইসলাম শিক্ষা দেওয়া হবে।’

স্মারকলিপিতে ইসলামী আন্দোলন জানায়, আমরা অতীব উদ্বিগ্নতা ও হতাশার সঙ্গে লক্ষ করছি যে, নীতিমালার কথার সঙ্গে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়নের মধ্যে আকাশ-পাতাল ব্যবধান। বর্তমান শিক্ষা কারিকুলামে ইসলাম ধর্ম শিক্ষাকে শুধু সংকুচিত ও উপেক্ষাই করা হয়নি; বরং রীতিমতো ইসলাম শিক্ষার সঙ্গে উপহাস করা হয়েছে। কেননা, ইসলাম ধর্ম শিক্ষাসহ বাংলা সাহিত্য, ইতিহাস, সমাজবিজ্ঞান পাঠে ইসলামী আকিদা সংক্রান্ত বিষয়সমূহ যেমন সংকুচিত করা হয়েছে, অপরদিকে ইসলামী আকিদাবিরোধী বিভিন্ন বিষয় ও পরিভাষার অনুপ্রবেশ ঘটানো হয়েছে কৌশলে।

অন্যদিকে ইসলামের মৌলিক শিক্ষা বিরোধী, অপ্রমাণিত ও ভ্রান্ত ডারউইনের বিবর্তনবাদ বিভিন্ন ক্লাসের পাঠ্যপুস্তকে সংযোজন করা হয়েছে। অথচ এটি পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে ইতোমধ্যে পরিত্যাজ্য হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। বিভিন্ন দেবদেবীর মূর্তিসহ অশালীন-অশ্লীল ছবির সংযোজন ঘটানো হয়েছে মাদ্রাসাসহ স্কুলের শিক্ষা কারিকুলামে।

উপরিউক্ত কারণে এ দেশের সচেতন, সুশীল ও শিক্ষিত মহল মনে করেন, বর্তমান শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রবর্তিত শিক্ষা কারিকুলামে এ দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের ইচ্ছা ও আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটেনি; বরং এর মাধ্যমে দেশে অশান্তির বীজ বপন করা হয়েছে।

আরও বলা হয়, বর্তমান সময়ে দেশের শিক্ষাঙ্গনে ছাত্রী নির্যাতন একটি আলোচিত ঘটনা। ছাত্র-শিক্ষক কর্তৃক নারী শিক্ষার্থীদের শ্লীলতাহানি মূলত চরম নৈতিক অবক্ষয়ের ফল। নৈতিক শিক্ষা অর্জিত হয় ধর্মীয় শিক্ষার মাধ্যমে। আমরা মনে করি, বতর্মান শিক্ষাঙ্গন নারী শিক্ষার্থীদের জন্য অনিরাপদ হওয়ার পেছনে দায়ী সরকার ও শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক ক্রমাগতভাবে ইসলাম ধর্ম শিক্ষাকে পাশ কাটানো ও উপেক্ষা করার মানসিকতা। ইসলাম শিক্ষা সম্পর্কে সরকারের এহেন পলিসি লক্ষ প্রাণের বিনিময়ে স্বাধীনতা অর্জনকারী এ দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমান এবং সংবিধানকে অবজ্ঞার শামিল।

শিক্ষাব্যবস্থা সম্পর্কিত ইসলামী আন্দোলনের দাবিসমূহ :

১. শিক্ষা কারিকুলাম প্রণয়নে অভিজ্ঞ, দ্বীনদার আলেমদের সম্পৃক্ত করা।

২. শিক্ষার সর্বস্তরে ধর্মীয় শিক্ষাকে বাধ্যতামূলক ও সকল পরীক্ষায় আবশ্যিক করা।

৩. ডারউইনের অপ্রমাণিত, ভ্রান্ত ও বিতর্কিত বিবর্তনবাদ শিক্ষার সকল স্তর থেকে বাদ দেওয়া।

৪. পাঠ্যপুস্তকের সকল বিষয় হতে অনৈসলামিক ও ইসলামী বিশ্বাসবিরোধী বিষয় ও শব্দসমূহ বাদ দেওয়া।

৫. ইসলাম ধর্ম শিক্ষার প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরে ‘কোরআনুল কারিম’ শিক্ষাকে অন্তর্ভুক্ত করা।

৬. মাদ্রাসা শিক্ষার কারিকুলাম, শিক্ষা নীতিমালা-২০১০ অনুযায়ী মাদ্রাসা সংশ্লিষ্ট আলেম, দ্বীনদার শিক্ষকদের দ্বারা পুনর্মার্জন করা।

৭. নৈতিকতা সমৃদ্ধ জনশক্তি তৈরির লক্ষ্যে সকল ধর্মাবলম্বী শিক্ষার্থীদের জন্য নিজ নিজ ধর্মীয় শিক্ষার ব্যবস্থা করা।

৮. বাংলা, ইংরেজি, সমাজবিজ্ঞান ও ইতিহাস বই হতে বিতর্কিত ও ইসলামী আকিদাবিরোধী প্রবন্ধসমূহ বাদ দেওয়া। ৯. স্কুল ও মাদ্রাসার সকল পাঠ্যপুস্তক অপ্রয়োজনীয় এবং অশ্লীল চিত্রমুক্ত রাখা।

১০. যেহেতু সাধারণ জনগণই এ দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার ব্যয়ভারের সিংহভাগ বহন করে, সেহেতু জোর করে চাপিয়ে দেওয়া শিক্ষা ব্যবস্থা নয়; বরং এ দেশবাসীর ধর্মীয় চেতনার অনুকূল শিক্ষাব্যবস্থা বাস্তবায়ন করা।

অতএব, উপর্যুক্ত দাবিসমূহ বাস্তবায়নে কার্যকর ভূমিকা রাখার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।

আরও পড়ুন

একদিন আগেই ভরে গেছে বিএনপির সমাবেশস্থল

রাজশাহী পৌঁছেই সমাবেশস্থলে হাজির মির্জা ফখরুল

বাইডেন-পুতিন আলোচনায় যে বাধা দেখছে রাশিয়া

রাজশাহী বিভাগীয় সমাবেশে বগুড়ার ৪ হাজার মোটরসাইকেল যোগে নেতাকর্মীরা যাচ্ছেন

গাইবান্ধা উপনির্বাচন নিয়ে ১৩৪ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ইসির শাস্তির সিদ্ধান্ত

জার্মানি-কোস্টারিকা ম্যাচ পরিচালনা করবেন নারী রেফারিরা

সৌদির বিপক্ষে জিতেও গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় মেক্সিকোর

আর্জেন্টিনার কাছে হেরেও শেষ ষোলোতে পোল্যান্ড

বিজয়ের মাস ডিসেম্বর আজ শুরু

বাংলা খবর বিডি ডটকম এর নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি

সৈয়দপুর আওয়ামীলীগের দ্বন্দ্ব এখন প্রকাশ্যে! বদলে যাচ্ছে রাজনৈতিক দৃশ্যপট

বাঁচামরার ম্যাচে পোল্যান্ডের মুখোমুখি হচ্ছে আর্জেন্টিনা