বুধবার, ৩০ নভেম্বর ২০২২ ১৫ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ৪ঠা জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৪ হিজরি
  1. কৃষি
  2. সারাদেশ
  3. Privacy Policy
  4. Terms Of Use
  5. Contact Us
শিরোনাম:

মুজিব সৈনিক হতে হলে শেখ হাসিনার খাঁটি কর্মী হতে হবে : ওবায়দুল কাদের

লাল-সবুজের পতাকা মেসির হাতে !

দক্ষিণ কোরিয়াকে ঘায়েল করলো ঘানা

‘জার্মান মেসি’

বাবা-ছেলের একসঙ্গে এসএসসি পাস করে প্রশংসায় ভাসছেন

আইনের তোয়াক্কা না করেই কেটে নিচ্ছে ফসলি জমির টপ সয়েল

Author
চায়না আলম,স্টাফ রিপোর্টার
২ ডিসেম্বর ২০২০, ১২:৩৬ অপরাহ্ণ

Link Copied!

মানিকগঞ্জের ঘিওরে চিহিৃত ভূমিদস্যুদের দাপটে অসহায় হয়ে পড়েছে এলাকাবাসী।  জোর পূর্বক ফসলি জমির উপর দিয়ে ফসল নষ্ট করে ট্রাক চলাচল করাচ্ছে। ক্ষমতাসীন ভূমি দস্যুদের দাপটে মামলা-হামলার ভয়ে কেউ কথা বলতে সাহস পাচ্ছে না। সুনির্দিষ্ট নীতিমালা ও কার্যকরী আইনের তোয়াক্কা না করেই ওই সব জমির মাটি কেটে ৮/১০ ফুট গভীর গর্ত করা হচ্ছে। এতে ঝুঁকির মধ্যে পড়ছে আশপাশের জমিগুলো। ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে ফসলি জমির টপ সয়েল।

সেই সাথে উপজেলার আবাদী জমিতে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে পুকুর খনন। জোতদার কৃষক থেকে শুরু করে প্রান্তিক কৃষকরাও ঝুঁকছে পুকুর তৈরির দিকে। একের পর এক খনন করা পুকুরে গিলে খাচ্ছে বিস্তীর্ণ ফসলি জমি। এতে পরিবেশ ভারসাম্য বিনষ্টের পাশাপাশি শস্য উৎপাদন হ্রাসের শঙ্কা দেখা দিয়েছে।  প্রভাবশালী ব্যক্তিরা স্থানীয় প্রশাসনের কিছু অসাধু কর্মচারীর সহযোগীতায় এ ভাবে মাটি বিক্রি করে হাতিয়ে নিচ্ছেন লাখ লাখ টাকা, এমনকি এ বিষয়ে এলাকাবাসীর কোন অভিযোগ আমলে নিচ্ছে না স্থানীয় প্রশাসন। এমন অভিযোগ ক্ষতিগ্রস্থ ভূমি মালিকদের। ফলে কোন সুফল পাচ্ছেনা ভূক্তভোগী কৃষকরা।

সম্প্রতি সরজমিন গিয়ে দেখা যায়, সরকারি নির্দেশনাকে বৃদ্ধাঙ্গলি দেখিয়ে পুরাতন ধলেশ্বরী, ইছামতি নদী ও  ফসলি জমির মাটি কেটে বিক্রি ও পুকুর তৈরি করছে ক্ষমতাসীন দলের প্রভাবশালী নেতারা। ধলেশ্বরী নদীর ঘিওর সদর কুস্তা শশ্মন ঘাট এলাকায় রাতের আঁধারে মাটি কেটে অবাধে বিক্রি করছে। পয়লা ইউনিয়নের বাইলজুরি পশ্চিম পাশে ধলেশ্বরী নদীতে ও  পয়লা বিলে ফসলী জমি কেটে পুকুর তৈরি করছে মাটি ব্যবসায়ী আরশেদ আলী, শরিফ, আরিফ। তারা প্রতিদিন প্রকাশ্যে মাটি কেটে বিক্রি করছেন। বড়টিয়া ইউনিয়নের করজনা এলাকার পুলিশ সদস্য মোঃ খন্দকার ইদ্রিস পানি উন্নয়ন বোর্ডের আওতাধীন ইছামতি নদী খনননের জমাকৃত নদীর পাড়ের মাটি ভেকু দিয়ে কেটে তাদের জমি ভরাট করছে। কেটে নেওয়া এসব মাটির বেশির ভাগ মাটি যাচ্ছে ভিটে বাড়ি ভরাটে। ক্ষতি হচ্ছে চলাচলের রাস্তা-ঘাট, ফসলি জমির।

এ বিষয়ে স্থানীয়রা বারবার নিষেধ করলেও কোনো কাজ হচ্ছে না। মহামারি করোনা ভাইরাস ও দ্বিতীয় দফায় বষার্র পানির কারনে ফসল আবাদ করতে দেরি হওয়ায় ক্ষতি হচ্ছে কৃষকদের। প্রায় এক মাস ধরে প্রকাশ্যে দিনের বেলায় ভেকু মেশিন দিয়ে মাটি কাটা হলেও কার্যকর কোনো ভূমিকা পালন করছে না স্থানীয় প্রশাসন, এমন অভিযোগ কৃষকদের।

এ ব্যাপারে একাধিক ভেকু ও অবৈধ মাটি ব্যবসায়ীরা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, আমরা উপজেলা প্রশাসন, সরকারী দলীয় নেতা ও সাংবাদিকদের ম্যানেজ করেই মাটি কাটছি।

ঘিওর উপজেলা নির্বাহী অফিসার আইরিন আক্তার জানান, আমরা মোবাইল কোর্ট করে এপর্যন্ত অনেককেই জরিমানা করেছি। এবিষয়ে আমাদের কাছে কেউ কোনো অভিযোগ করেনি। দ্রুতই ভূমি দস্যু ও অবৈধ মাটি উত্তোলন কারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

#

 

আরও পড়ুন

ব্রুনোর জোড়া গোলে উরুগুয়েকে হারিয়ে শেষ ষোলোতে পর্তুগাল

বিতর্কের মধ্য দিয়ে বিদায় নিচ্ছেন পাকিস্তানের সেনাপ্রধান

নেইমারকে দ্রুত সুস্থ করতে নাসার প্রযুক্তি ব্যবহার

নিরবচ্ছিন্ন শিক্ষা অব্যাহত রাখতে সরকার সম্ভাব্য সব ব্যবস্থা নিয়েছে : প্রধানমন্ত্রী

এসএসসির পাসের হার ৮৭ দশমিক ৪৪ শতাংশ

সোমবার প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগের ফল প্রকাশ হতে পারে

বাংলাদেশে মেসির গোল উৎসবের ভিডিও ফিফার টুইটে

ন্যায়সঙ্গত আন্দোলনকে দমাতে পারবে না , সরকারের পতন অনিবার্য : মির্জা ফখরুল

সচিবদের সতর্ক হতে বললেন প্রধানমন্ত্রী

ফেভারিট বেলজিয়ামের মরক্কোর কাছে হার

আর্জেন্টিনার যেভাবে দ্বিতীয় রাউন্ডে যেতে পারে !

এসএসসির রেজাল্ট আগামীকাল , যেভাবে জানা যাবে